Friday, December 27, 2019

Dating your....

Go to this site create account and confirm your gmail.    

Click here 

ডাউনলোড করে নিন সম্পূর্ণ বাংলায় এসইও সম্পর্কে লিখা পিডিএফ একেবারে ফ্রিতে।

আসসালামু আলাইকুম

আশাকরি সবাই ভালো আছেন।
সবাই ভালো থাকেন ভালো রাখেন এই প্রত্যাশাই করি সব সময়।
আজ আপনাদের জন্য আমি আরো একটি এসইও পিডিএফ নিয়ে আসলাম।
যার মাধ্যমে আপনি খুব তাড়াতাড়ি ও ফ্রিতে এসইও সম্পর্কে খুঁটিনাটি বিষয় সহ আরো অনেক এক্সপার্ট বিষয় শিখতে পারবেন।
আমি এই পোষ্টে আর বেশি কিছু লিখব না কারণ এর আগে একটি পোষ্টে আমি বিস্তারিত লিখেছিলাম। আর যদি আপনি সেই পোষ্টটি না দেখে থাকেন তাহলে নিচের লিংক এ ক্লিক করে দেখে নিন।

SEO শিখুন সম্পূর্ণ বাংলায়। ৪৫০ টাকা মূল্যের SEO বই নিয়ে নিন সম্পূর্ণ ফ্রিতে আর হয়ে উঠুন আপনিও SEO মাস্টার।

এই পোষ্টে আমি এসইও সম্পর্কে বেশ কিছু আলোচনা করেছি যেমন এসইও কী, এসইও কেন শিখবেন, এসইও শিখে কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন ইত্যাদি।
তাই এই পোষ্ট পড়ার আগে অবশ্যই আগের পোষ্টি পড়ে নিবেন তাহলে বুঝতে পারবেন কেন এসইও গুরুত্বপূর্ণ ও কেন প্রয়োজন।
তো আর কথা বাড়াবো না।
পিডিএফ বইটি ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংক এ ক্লিক করুণ।
ডাউনলোড করার আগে এক নজরে দেখে নিন কী কী থাকছে এই এসইও পিডিএফ বইটিতে

বইটি তে টোটাল ২৩ টি অধ্যায় রয়েছে।
click here to download
ডাউনলোড করে আপনি সরাসরি পড়তে পারবেন।
তো আপনি যদি কোন সাইটে এসইও ফ্রেন্ডলি পোষ্ট করতে চান তাহলে কেমন করে পোষ্ট করবেন?
এর জন্য আমার নিজের হাতে লিখা একটি পোষ্ট আছে “কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি পোষ্ট করবেন” তা সম্পর্কে।
যদি আপনি যে পোষ্ট না দেখে থাকেন তাহলে নিচের লিংক এ ক্লিক করে দেখে নিন।

কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল করবেন যেকোন ওয়েবসাইট এ | how to write a SEO friendly article

তো আশাকরি সবাই একটু হলেও উপকৃতি হবে এই পোষ্টটির মাধ্যমে।
যদি পোষ্ট টি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

আর্টিকেল রাইটিং – কিভাবে article লিখতে হয়

আর্টিকেল রাইটিং হতে পারে একটি সম্ভাবণাময় ও সন্মানজনক পেশা, দারুণ একটি উপার্জনের উপায়। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট আর্টিকেলের জন্য সন্মানজনক সন্মানী প্রদান করে। এছাড়াও রয়েছে আরো অনেকগুলো সাইট যেগুলোতে আর্টিকেল লেখার পর পেজভিউ অনুসারে পেমেন্ট করা হয় আর পেজভিউ চলতে থাকে সারাজীবন, সন্মানিও আসতে থাকে সারাজীবন। এছাড়া নিজস্ব ব্লগের জন্য আর্টিকেল লিখেও গুগল অ্যাডসেন্স থেকে প্রচুর আয় করা যায়। এছাড়াও রয়েছে আপওয়ার্ক যেখানে প্রতিদিন আর্টিকেল রাইটার চেয়ে কমপক্ষে ৫০০ ক্লায়েন্ট বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। ফ্রি-ল্যান্স মার্কেটগুলোতে আর্টিকেল রাইটিং এর শত শত প্রজেক্ট রয়েছে, শুধু রাইটিং নিয়েই রয়েছে বেশকিছু সাইট যার কয়েকটি নিচে দেয়া হল-
মোট কথা, আপনি যদি আর্টিকেল লিখতে পারেন তো সারাজীবনে একদিনও আপনি কাজের অভাব বোধ করবেন না, শতভাগ গ্যারান্টি।
আর্টিকেল রাইটিং এর জন্য যোগ্য যারা
যারা ইংরেজী ভাষাটি ভালবাসেন, ইংরেজীতে খবর কিংবা গল্পের বই পড়েন, ইংরেজীতে যাদের রয়েছে অগাধ দক্ষতা, যে কোন ইংরেজী লেখা পড়ে বুঝতে পারেন, বাংলা থেকে ইংরেজী কিংবা ইংরেজী থেকে বাংলা অনুবাদ করতে পারেন; তারাই আর্টিকেল রাইটিং কে পেশা হিসেবে নিতে পারেন। যারা খুব দক্ষ নন কিন্তু মোটামুটি ইংরেজী জানেন তারা নিজেদের তৈরি করে নিতে পারেন।
আমি কি পারবো?
পারবো মানে! আর্টিকেল রাইটিং একদম সহজ। সত্যিকার অর্থেই যেনতেন একটা আর্টিকেল লেখা একেবারেই একটা সহজ কাজ। কিন্তু একটু সুন্দর করে ভালভাবে গুছিয়ে একটা মানসন্মত আর্টিকেল লেখা একটা শিল্পই বটে। সুতরাং, একটা কোয়ালিটি আর্টিকেল লেখার জন্য আপনাকে শিল্পী হয়ে উঠতে হবে। এ জন্য আপনাকে প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে, ভাল ভাল লেখকদের লেখা পড়তে হবে, তাদের স্টাইল অনুসরন করতে হবে আর লিখতে লিখতে এক সময় আপনার অজান্তেই আপনার নিজস্ব একটা স্টাইল তৈরি হয়ে যাবে।
কি লিখবেন?
প্রথমেই আপনাকে ঠিক করতে হবে কি বিষয়ে লিখবেন, লেখা শুরুর আগে যদি লেখার বিষয় বা টপিক ঠিক করতে না পারেন তাহলে তো লেখা শুরুই করতে পারবেন না। বিষয় ঠিক করার জন্য চিন্তা করে দেখুন কোন বিষয়ে আপনি সবচেয়ে ভাল জানেন, কোন বিষয়ে মোটামুটি জানেন। দুইটাই হতে পারে আপনার লেখার বিষয়। এর মানে আবার এই নয় যে, যে বিষয়ে জানেন না সে বিষয়ে কিছুতেই লিখতে পারবেন না। আপনি যখন আর্টিকেল রাইটিংকে প্রপেশন হিসেবে নেবেন, তখন আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে এমন অনেক বিষয় নিয়ে লেখার অর্ডার দিতে পারে যে বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনি জানেন না।
তাহলে কি অর্ডার ফিরিয়ে দেবেন? তবে তো এই ক্লায়েন্ট আপনাকে আর কাজ দেবে না। তাহলে কি করবেন? রিসার্চ করবেন, ওই বিষয়ের ওপর রিসার্চ করে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেখা শুরু করে দিবেন। ধরা যাক, আপনি ঠিক করেছেন ‘হোম লোন’ নিয়ে লিখবেন কিংবা আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে এই বিষয়টি নির্ধারণ করে দিয়েছে। প্রথমে চিন্তা করুন আপনি এ বিষয়ের পাঠক হলে কী কী জানতে চাইতেন। প্রাথমিকভাবে যেটা করতে পারেন সেটা হচ্ছে এ বিষয়ের ওপর কয়েকটি প্রশ্ন তৈরি করে ফেলুন। যেমন-
★ হোম লোন কি?
★ মানুষ কেন হোম লোন নেয়?
★ হোম লোন নেয়ার আগে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিৎ?
★ হোম লোন নেয়ার সুবিধা-অসুবিধা কি?
★ হোম লোন পাওয়ার জন্য কি করতে হয়?
★ হোম লোন পেতে হলে কি কি কাগজ-পত্র জমা দিতে হয়?
★ হোম লোনের ইন্টারেস্ট রেস্ট কত?
★ হোম লোন কিভাবে পরিশোধ করতে হয়?
★ পরিশোধ করতে না পারলে কি হয়?
★ এ বিষয়ে কি কি আইন-কানুন রয়েছে? ইত্যাদি ইত্যাদি।
এরপর আপনি যেটা করবেন সেটা হচ্ছে হোম লোন লিখে গুগলে সার্চ দেবেন। র‌্যাংকিয়ের শুরুর দিকে যে-আর্টিগুলো পাবেন সেগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। দরকারী তথ্যগুলো টুকে রাখবেন। ইচ্ছে করলে আপনি উপরের প্রত্যেকটা প্রশ্ন ধরে ধরে সার্চ দিতে পারেন। প্রচুর আর্টিকেল পাবেন। আর্টিকেলগুলো আপনাকে ভাল সাপোর্ট দেবে। তবে আপনাকে অবশ্যই ওগুলোর চেয়ে ভাল এবং তথ্যবহুল আর্টিকেল লিখতে হবে। আর কোনভাবেই ওগুলোর কোন লাইন কপি করা যাবে না। কপি করছেন তো মরছেন।
আপনি কি কখনো ভেবেছেন একটা কিছু লিখে গুগলে সার্চ দিলে মিলি সেকেন্ডের মধ্যে গুগল হাজার হাজার পেজ থেকে লেখাগুলো আপনার সামনে এনে দেয়, কোথা থেকে এনে দেয়?
অনলাইনে প্রায় এক বিলিয়নেরও বেশি ওয়েবসাইট আছে। যখনই কোন ওয়েবসাইটে কিছু প্রকাশ হয়, গুগলের ক্রলার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে হাজির হয়ে যায় আর সেই ডাটাগুলো নিয়ে নিজস্ব ডাটা সেন্টারে জমা করে ফেলে। পরবর্তীতে কেউ সার্চ দিলেই আরেকটা ক্রলার সেই ডাটা সেন্টার থেকে ডাটা নিয়ে তাকে দেখিয়ে দেয়। সুতরাং আপনি যদি একটা লাইনও কপি করে ফেলেন, গুগলের কাছে সেটা ডুপ্লিকেট হিসেবে গণ্য হবে। সুতরাং আপনার লেখা সম্পূর্ণ ইউনিক হতে হবে।
আপনার লেখা ইউনিক হয়েছে কিনা চেক করতে নিচের টুলটি ব্যবহার করুন-
             Plagiarism Checker
উপরের ছবিটির দিকে খেয়াল করুন, আপনি যে লেখাটা ডুপ্লিকেট কিনা চেক করতে চাইছেন, সেই লেখাটা কপি করে এই বক্সে পেস্ট করুন। তারপর ‘I am not a robot’ এই লেখাটার বামপাশের বক্সটিতে ক্লিক করে টিক মার্ক দিন। সবশেষে নিচের সবুজ ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর সাদা রঙে ‘Check Plagiarism’ লেখাটার ওপর ক্লিক করুন। চেকিং শুরু হয়ে যাবে আর কিছুক্ষণ পরই আপনি দেখতে পাবেন কত পার্সেন্ট ইউনিক হয়েছে আর কত পার্সেন্ট ডুপ্লিকেট হয়েছে।
আর্টিকেল রাইটিং আজ এ পর্যন্তই। এই লেখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই অনেক বড় হয়ে গেল। যারা আর্টিকেল লিখতে চাইছেন বা ব্লগিং করবেন বলে প্ল্যান করেছেন তাদের জন্য অপরিহার্য্য একটি লেখা এটি। সুতরাং, দরকারের সময় খুঁজে পেতে লেখাটাকে আপনার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে রাখুন।

Seo নিয়ে প্রাথমিক ধারনা সাথে যেভাবে একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব সাইট এর Seo করতে হয় সবথেকে সহজ উপায়ে। (পর্ব- ১)

ওয়েব সাইট তৈরীর প্লাটফর্ম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো WordPress CMS ( Content Management System ) সিস্টেম। যার অন্যতম আকর্ষন হলো Plugins.

ওয়ার্ডপ্রেস না হয় জনপ্রিয় কিন্তু আপনার বানানো সাইটকে যদি জনপ্রিয় করতে চান তবে অবশ্যই সাইটের SEO ( Search Engine Optimization )
করতে হবে।

ধরুন আপনি একটি ওয়েব সাইট বানিয়েছেন এবং আপনি তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান তখন আপনি নিশ্চই তা ফেসবুক ,টুইটার ইত্যাদি প্লাটফর্মে শেয়ার করে থাকেন আর তখন আপনার শেয়ার করা জিনিসটি যার ভালো লাগে সে এসে ঘুরে যায় আর এতে আপনি কিছু ভিজিটর পান।

আর আপনি যদি SEO করেন তবে আপনার সাইটে থাকা কন্টেন্ট গুলো যদি কেউ সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে তবে আপনার সাইট টি সার্চ ইঞ্জিনগুলো তাদের সামনে তুলে ধরবে এতে আপনি পেতে পারেন ভালো পরিমানের ট্রাফিক মানে ভিজিটর।

এবার হয়তো মনে আসতে পারে সার্চ ইঞ্জিন টা আবার কি?


সার্চ ইঞ্জিন সাধারণত Google, Bing, Yahoo, Yandex, Baidu, Ask, DuckDuckGo, Torrent ইত্যাদি কোম্পানী গুলো বলা হয় কারন এখানে আপনি যে প্রশ্ন করবেন তা কোম্পানী গুলোর সার্ভারে সংরক্ষন থাকে এবং আপনার প্রশ্নের ভিত্তিতে ট্যাগ গুলোকে একত্রিত করে ফলাফল প্রকাশ করে ।



এখান মূল বিষয় হলো আমাদের সাইটের কন্টেন্ট যদি সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট না করি তবে সার্চ ইঞ্জিন ও জানবেনা যে আপনার একটি সাইট আছে এবং সেখানে ভালো মানের কন্টেন্ট রয়েছে। যখন আপনি সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইট সংরক্ষন করবেন তখন সার্চ ইঞ্জিন সাহায্য করবে ভিজিটর দিয়ে আপনার Ranking বাড়াতে এবং যদি Adsence থাকে তবে আয় বৃদ্ধিতে।



আশা করি SEO সম্পর্কে হালকা হলেও ধারণা দিতে পেরেছি।

এখন যেভাবে আপনি একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের SEO করবেন। যেহেতু আমি বলেছি সব থেকে সহজ উপায়ে
Seo করা শিখাবো তাই আমরা একটি Plugins ব্যবহার করবো যাতে সহজেই কাজ হয়ে যায়।


Plugins টার নাম Yoast WordPress Seo Plugins
আপনি চাইলে সার্চ করে Plugins টি ডাউনলোড করে নিতে পারেন এতে আপনি ফ্রী ভার্সন টি পেয়ে যাবেন ।তবে ফ্রি ভার্সনে সকল ফিচার উপভোগ করতে পারবেন না তাই আপনাকে ব্যবহার করতে হবে এর Paid বা Premium ভার্সন টি। কিনতে হবে না আমি আপনাদের জন্য প্রিমিয়াম ভার্সন এর প্লাগিন ডাউনলোড লিংক শেয়ার করবো সম্পূর্ণ ফ্রিতে।
নিচের ডাউনলোড লিংক থেকে প্রথমে Zip ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।





আপনার সাইটে Admin Mode এ প্রবেশ করুন এবং উপরের ছবির মত Plugins এর Add New তে ক্লিক করুন।

এবার Upload Plugin বাটনে ক্লিক করুন এবং Choose File এ গিয়ে আপনার ডাউনলোড করা ফাইলটি দেখিয়ে দিন আপলোড করার জন্য।


এবার ইন্সটল বাটনে ক্লিক করুন।
এখন আপনি dashboard এর  Installed  Plugins Menu তে চলে যান এবং উপরের ছবিটির মত Plugins টি Active করে দিন।


গুগলে আপনার সাইট টি যুক্ত করতে হবে নিচের লিংকে প্রবেশ করুন।


উপরের লিংকে প্রবেশ করতে আপনার একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে লগিন করা অবস্থায়।


 উপরের মত একটি পেজ আসবে add property বাটনে ক্লিক করে সামনে আগানোর অনুমতি দিয়ে দিন।

এবার উপরের মত আসলে আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম দিন এবং Continue বাটনে ক্লিক করুন।

 উপরের মত আসলে Download করে নিন This HTML verification file .
ডাউনলোড হয়ে গেলে ফাইলটি আপনার Control Panel  থেকে File Manager এ চলে যান এবং নিচের Step গুলো দেখুন।

তবে হ্যা পেজ টি বন্ধ করবেন না আপনার ব্রাউজারে নতুন ট্যাব খুলে Control Panel এ যাবেন।
আপনাকে Public Html এ ভেরফিকেশন এর জন্য  HTML verification file টি Upload করতে হবে।


তাহলে আপনার ডাউনলোড করা HTML verification file ফাইলটি Upload করে ফেলুন।


দেখুন আপলোড হয়ে গেছে এবার Verify করার পালা।

3rd Step এ দেখুন লাল চিহ্নিত লাইনটি ক্লিক করুন তাহলে নিচের ছবির মত আসবে।
দেখুন ভেরিফিকেশন কোড দেখাচ্ছে যার মানে কাজ হয়ে গেছে।  আর যদি আপনাকে Error দেখায় তাহলে বুঝতে হবে আপনি সঠিক জাগায় ফাইলটি Upload করেন নি। 
 এবার Captcha ভেরিফিকেশন করে ফেলুন এবং শেষে Verify বাটনে ক্লিক করুন ।
এখন আপনার সাইট টি গুগলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল এখন দেখে নেওয়া যাক পরের Step গুলো।


Verify করা হয়ে গেলে আপনার DashBoard থেকে Seo অপশন থেকে Search Console এ চলে যান ।
উপরের মত দেখতে পাবেন Get Google Authorization Code বাটনে ক্লিক করুন।

এবার আপনার জিমেইল আইডি দিয়ে লগিন করুন উপরের মত আসলে Allow তে ক্লিক করুন।


আপনাকে উপরের মত একটি কোড দেখাবে তা কপি করুন।


এবার কোড টি উপরের খালি ঘরে Paste করে Authenticate বাটনে ক্লিক করুন।

আজকের পর্ব টি এখানেই শেষ করছি আগামীপর্বে থাকবে যেভাবে সার্চ ইঞ্জিন সমূহে সাইট ভেরিফাই করতে হয় Yoast Seo Premium দিয়ে।
নিচের ঘর গুলো পরের পর্বে পূরণ করবো।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে ।